ভালোবাসার গল্প

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২০

লুপুতুপু লাফস্টরি




প্রতিদিন সকালে দৌড়ানোর মজাই
আলাদা, আহা কীইইই সুন্দর
ঠান্ডা লাগতেছে।
একটা বাড়ির নিচে যেতেই
উপর থেকে কে যেন পানি দিছে।
মিজাজটা কেমন লাগে, এমনিতেই
ঠান্ডা লাগতেছে তার উপরে গেয়ে পানি।
উপরে তাঁকিয়ে কাউরে দেখতে পাইনি,
মনে হয় ভুল করে ফেলে দিছে।
তারপরে বাসাই গিয়ে ফ্রেস হয়ে
সোজা কলেজে।
কলেজে যেই না গেছি ওমনি
সালা নাফিজ ফইন্নির আগমন।
ওই সালা আবার একটু মাইয়াগো
মতন, খালি আমার গায়ের উপড়ে
আইসা পড়ে।
না সময় থাকতে কাইটা পড়ি, না হলে
পড়ে পিছন ছাড়বে না।
এক বিপদ থেকে রেহাই পাওয়ার
জন্য দৌড় দিছি ওমনি সোজা
গিয়ে ধাক্কা একটা মেয়ের সাথে।
আমি এক দিকে মেয়েটা এক দিকে,
মেয়েটার দিকে তাকাইতেই আমি
পুরা ফিদা।
এত্ত সুন্দর কোন মেয়ে হয় নাকি,
আমি তো আবাল এর মতো
হা করে আছি।
মনে মনে তো ভেঁবে নিছি মরলে ও
তাঁকে আমার চাই বাঁচলে ও চাই।
মেয়েটা উঠে আসল আমার দিকে,
এই রে মনে হয় ঠাসসসসসস করে
দিয়ে চলে যাবে।
তাই আগে ভাগেই দুই গালে
হাত দিয়ে বসে আছি।
কিন্তুু না মেয়েটা একদম অন্য রকম
আমার দিকে একটু তাঁকাই থেকে
চলে গেল।
আশেপাশের পোলাপান দেখি সবাই
হা করে আছে।
কই থেকে সজিব এসে আমারে বলল।
- সাহরিয়া ভাই আমার কলেজে নতুন একটু
মেয়ে আসছে, সেই রকমের সু্ন্দরী, আমাদের
সাথেই পড়ে।
ওর দিকে যেন ভুলে ও নজর দিস না।
- রাখ তোর সুন্দরি আমি তো একটু আগে
একটা পরীর সাথে ধাক্কা খাইছিরে।
মেয়েটা আমার সব চুরি করে ফেলছেরে ভাই,
কী রকম দেখতে আহা, যেন বুকটা চিরে
ভিতরে রাইখা দেই।
- কীইইই বললি, আচ্ছা মেয়েটা কী সাদা
ড্রেস পড়েছিল।
- হুমমমম, পরীরা তো সাদা ড্রেসই পড়বে
সেইটা আবার নতুন কীইইই।
- ওরে ছাইরা দে ভাই, মেয়েটা কে জানিস।
- হি হি কেবল মাত্র ধাক্কা খাইছি কেমনে
জানমু।
- সালা হারামি মেয়েটা আমাদের এমপি এর
মেয়ে, ওর বাপে যদি জানে তোরে পিছ পিছ
করে ফেলবে।
- কীইইই বললি, ঐ কসাই এর মতো
লোকটা।
- হুমমমম।
- আল্লাহ দিলা দিলা ওমন কসাই এর
ঘরেই ওমন একটা পরীর মতে মেয়ে দিলা, আবার
আমার সাথেই ধাক্কা লাগাই দিলা।
দোস্ত যাই বল ওই মেয়েটাই আমার
লাগব।
না হলে আমি মইরা যামু।
- যা পারিস কর আমি কিছু যানি না,
ভাই তোর পায়ে পড়ি আমার সাথে আর
কথা বলবি না, তা হলে
তোর সাথে আমি ও মরমু।
- দূর সালা কিচ্ছু হবে না চল ক্লাসে যাই।
যে না ক্লাসে গেছি ওমনি কয়টা দানবের
মতো পোলা আসল, আর মেয়েটার কাছে
গিয়ে বলল ম্যাডাম একবার শুধু পোলাটারে
দেখাই দেন কে আপনারে ধারে দিছে।
আমি তখন মেয়েটার সামনেই ছিলাম,
মেয়েটা একটু আমার দিকে তাঁকিয়ে বলল
ছেলেটাকে আমি চিনিনা , আর ছেলেটার
কোন দোষ নাই।
আমি একটা ইটের সাথে ধাক্কা লেগে পড়ে
গেছি।
আচ্ছা ম্যাডাম আমরা তা হলে আসি কোন
সমস্য হলে আমরা আছি।
বলেই চলে গেল।
- যাক বাবা এবারের মতো বাঁচলাম, যে
এক একটার সাইজ ছিল আমারে
একজন একজন করে ঘুসি দিলে
আমি সোজা পোটল ভর্তা হয়ে যেতাম।
তারপরে ব্রেঞ্চে গিয়ে বসতেই স্যার আসল,
এর মধ্যে মেয়েটার দিকে কয়েক বার
তাঁকাইছি।
কীইইই মিষ্টি চেহারা।
ক্লাস শেষ করে বাইরে চলে আসলাম
দেখি মেয়েটা একাই বসে আছে।
মনে হয় ওর বাবার ভয়ে কেউ মেয়েটার
সাথে কথা বলে না।
কিন্তুু সাহরিয়া না মেয়েটার মুখে
হাঁসি ফোটানোর দায়িত্ব তোর।
যেই ভাবা সেই কাজ।
দৌড়ে মেয়েটার কাছে গিয়ে
বসলাম, আমাকে দেখে
অনেক অবাক হয়েছে।
- হি হি আমি সাহরিয়া,
আমি আর তুমি সেইম ক্লাস
তাই তুমি করে বলছি কেমন,
তুমি ও তুমি করেই বলবা, কারণ
কেউ আমাকে আপনি বললে
আমার কেমন লইজ্জা লাগে।
আর হ্যা তখন ঐ দানব দের
হাত থেকে বাঁচানোর জন্য অনেক
গুলা থাংকু,
হায় হায় কথা মাঝে মেয়েটার নাক ধরে
টান দিছি।
এইরে সরি সরি আমি না বুঝতে
পারি নাই পিচ্চি তো তাই।
কাউরে বইল না যেন কেমন,
আমার মতো একটা পিচ্চি বাবুরে
কেউ মারলে তোমার ভাল লাগবে বলো।
এবার মেয়েটা একটু মুচকি হাঁসি দিল।
একটু হাঁসিতেই এমন সু্ন্দর লাগছে
পুরোপুরি হাঁসলে তো আমি পাগল হয়ে
যামু।
- আচ্চা এমন তারাতারি সব কথা বলছ কেন (মেয়েটা)।
- আরে তোমার বাবার ঐ গুন্ডা গুলো যদি
চলে আসে তাই।
ঐ তোমার নামটাই তো বললা না।
- আমার নাম লিপা।
- হি হি অনেক কিউট নাম তো,
আচ্ছা তুমি এমন গোমরা মুখে থাক
কেন, জোরে জোরে হাঁসবা কেমন।
এই যে এভাবে হা হা হা হি হি হি।
- তুমি তো অনেক ফাজিল, আজ
পর্যন্ত কোন ছেলে আমার সাথে এত্ত কথা
বলার সাহস পায় নাই জানো।
- সবাই আমার মতো ভিতু না তাই,
সবাই অনেক সাহসী তো তাই
তোমার সাথে কথা বলতে ভয় পায়।
- এর মানে কী?
- এর মানে হল, মানুষ আর পিপড়ে।
মানুষ যেমন অনেক শক্তি শালী হয়ে
ও তার ওজনের দশ গুন ওজন বহন
করতে পারে না।
কিন্তুু একটা পিচ্চি পিপড়ে মানুষের
থেকে কত্ত শক্তির দিক দিয়ে কম,
তবু ও তার ওজনের দশ গুন ওজন বহন
করে। ঠিক তেমন আমি ও ভিতু কিন্তুু সাহসী
দের থেকে বেশি সাহস বহন করি হি হি হি।
- বাহ্ খুব ভালো তো।
- আচ্ছা দাঁড়াও একটু।
- কেন।
- আরে দাঁড়াও না পিলিজ।
- ঠিক আছে দাঁড়ালাম।
- এবার হাত দাও।
- আরে কেন বলবা তো।
- আগে হাত দাও না।
- ওকে দিলাম।
- ১, ২, ৩, ...... ১০ এই নাও দশটা
চকলেট, আর আমাকে দশ টাকা
দাও।
- চকলেট দেওয়ার কীইইই আছে
আমি তো এমনি টাকা দিতাম,
আরে না আমার কাছে এখন ও
অনেক চকলেট আছে।
তাই তোমার কাছে ৫০%বিক্রি করলাম হি হি।
- ঠিকআছে এই নাও টাকা।
- ঐ তুমি দুইটা শূন্য বেশি দিছে
ফেলছ।
- তা ছাড়া তো আমার কাছে ভাংতি কোন
টাকা নেই।
- ওকে ঠিক আছে প্রতিদিন তোমাকে চকলেট
দিয়ে শোধ করে দিব কেমন।
- ওকে ঠিক আছে, পাগল একটা।
- ঐ তোমার আব্বা মনে হয় আসছে
তোমাকে নিতে আমি গেলাম এবার।
বলেই দৌড়।
- ঐ সালা কই ছিলি (সজিব)।
- তোর ভাবি কাছে।
- মানে কীইইই ।
- আরে লিপার সাথে, এই দেখ দশটা
চকলেট দিছি আমারে এক হাজার টাকা
দিছে।
- সালা তুই সত্যি পারিস ও।
- হুমমমম এবার চল আরামছে
খাইয়া আসি।
তার পরে বাসাই যামু।
খেয়ে দেয়ে বাসাই আসলাস,
না না একদম ভাল লাগতেছে,
আহা খালি সুপ্তির কথাই মনে
পড়তেছে।
বিকেলে ওদের বাসার ওই দিকে গেলাম,
উপরের দিকে চাহিয়া আছি,
কখন যে একটু বাহির হইবে আল্লাহ জানে।
হঠাৎ করে যেন একটা পরী বারান্দাই আসল,
যাক তবু মনে একটু শান্তি পেলাম।
কীইইই মেয়েরে বাবা একটু নিচে
তাঁকাইলে কীইইই হইবে।
উপর দিকে হাত দিয়ে নাড়তে লাগলাম,
কখন যে একটা চিৎকার দিছি মনেই নাই।
ওই তো এবার তাঁকাইছে, কিন্তুু সুখ বেশিক্ষণ রইল না।
একটা খাম্বার মতো লোক এসে বলল।
- ঐ পোলা এখানে কীইইই করিস।
- কিছু না আংকেল একটু ব্যায়াম করতেছিলাম।
- একটা চটকানি দিমু যা ভাগ এখান
থেকে।
- লিপা তো হেঁসে হেঁসে শেষ।
যাক তবু তো হাঁসি মুখটা দেখলাম।
পরেরদিন কলেজে গিয়ে ব্রেঞ্চ বাজাইতেছি।
হঠাৎ লিপার আগমন, আশেপাশে ওর বাবার
গুন্ডা গুলো ঘুরতেছিল তাই কথা বলতে পারতেছি না।
মাথাই একটা আইডিয়া আসল,
চট করে একটা কাগজে লিখলাম
ওই গাছের নিচে এসো, তার পরে
ফট করে দিয়ে পট করে গাছের
নিচে চলে গেলাম।
একটু পড়ে লিপা ও আসল।
- কীইইই লিপা বেগম কেমন খুশি খুশি
লাগতেছে কীইইই ব্যাপার হুমমমম।
- সাহরিয়া তুমি না অনেক কিউট।
- হি হি হি কেন শুনি।
- তোমার সাথে পরিচয় হওয়ার পর থেকে
এমনিতেই কেমন ভাল ভাল লাগছে।
- যাক বাবা একদিনেই।
- হুমমমম মনে হচ্ছে কত
দিনের চেনা।
- ওই হইছে হইছে, এবার দাঁড়াও।
- কেন চকলেট দিবা তাই না।
- হি হি হুমমমম।
- কালকে তোমার চকলেট গুলা
সারারাত খাইছি আর তোমার কথা
ভাবছি।
- ওমা তাই বুঝি, এবার নাও হাত দাও।
- হুমমমম দাও, সাহরিয়া জানো তোমাকে
নিয়ে খালি ভয় হয়, যদি বাবা তোমাকে
মাইর দেই।
- হি হি এত্ত সোজা হুমমমম।
- হুমমমম হইছে হইছে, এত্ত সাহস
যখন গতকাল দৌড় দিলা কেন।
- আরে বাবা তাই বলে জেনে শুনে মাইর
খাব বুঝি।
এই যা আবার তোমার বাবা চলে আসছে,
এইটা আমার নাম্বার তোমার জন্য লিখে
আনছিলাস, তার পড়ে নাম্বারটা
দিয়ে চলে আসলাম।
রাতে ফোনটা নিয়ে বসে আছি,
হঠাৎ ফোনটা বেঁজে উঠল
তারাতারি ফোনটা হাতে নিয়ে
দেখি ২৮২৮ থেকে ফোন আসছে।
মেজাজটা কেমন লাগে, দূর কখন
যে পাগলিটা ফোন করবে আল্লাহ জানে।
আবার ফোন আসল, নাম্বারটা না
দেখেই রিসিভ করে বলতে লাগলাম
ঐ তোমার ফোন দিতে এত্ত টাইম লাগে
হুমমমম।
হঠাৎ আব্বার গলা,
হায় হায় কারে কীইইই বলে ফেলছি।
আল্লাহ আর কত্ত এমনে থাকমু।
এবার আবার ফোন আসর
- ফোনটা রিসিভ করলাম।
- হ্যালো।
- হি হি এইবার আসল জাইগা থেকে
আসছে।
- ঐ এতক্ষণ কীইইই করলা হুমমমম,
সেই কতক্ষণ থেকে বসে আছি।
- ও আচ্ছা তাই বুঝি, সাহরিয়া একটা
কথা বলব।
- হুমমমম বলো।
- সাহরিয়া আমি না তোমাকে অনেক অগে
থেকেই দেখতাম জনো, তুমি যখন আমাদের
বাসার নিচে দিয়ে বাঁদরের,
মতো লাফাই লাফাই যাইতে।
আর সেদিন সকালে আমিই পানি
দিছিলাম।
- কীইইই, তুমি তো আমার থেকে ও
বেশি ফাজিল, আমি একটা কথা
বলব রাগ করবা না তো।
- ঠিকআছে বলো।
- তোমারে আমি ফাস্ট যেদিন
দেখছি না, সেদিন থেকেই ঠিক করছি
বাঁচলে ও তোমারে নিয়ে মরলে ও
তোমারে নিয়েই, খুব ভালবেসে
ফেলছি জানো তোমারে।
হঠাৎ ফোনটা কেঁটে গেল,
এই যা ক্যান যে বলতে গেলাম।
নিজেই নিজেরে গালি দিলাম,
দূর ভাল লাগছে না।
পরেরদিন সকালে কলেজে গেলাম
গিয়ে দেখি লিপা আসে নাই,
নিজেরে আচ্ছা মতন বকা দিয়ে
চলে আসলাস।
বিকেলে ওদের বাসার
নিচে দাঁড়াই ছিলাম তবু কোন
দেখা মিলে নাই।
এই ভাবে পাঁচদিন পার হয়ে গেল।
হঠাৎ একদিন সকালে অনেক জোরে জোরে
দরজাই কে যানি ধাক্কা দিচ্ছে।
রেগে মেগে উঠে দরজা খুলেই দেখি
লিপা বাবার সেই দানব গুলা।
হায় হায় বলে দিছে নাকি সব কিছু,
- ভাইজন আমারে একটু সময় দেন টয়লেট
যামু, হেব্বি হিসি চাপছে।
বলেই টয়লেটে দৌড়,
টয়লেট থেকে বাহির হইতেই, ওদের
মধ্যে একজন বলল।
- সাহরিয়া।
- হুমমমম আমি, তারপরে আমারে
সবাই মিলে আলক কইরা নিয়া গেল।
আমি কিচ্ছু কইনাই, কপালে থাকলে
বাঁচমু না হলে তো আমি শেষ।
তারপড়ে একটা গাড়ি করে হাসপাতালে
নিয়ে গেল।
আর যাই হোক মনবতা আছে
বলতেই হবে।
হাসপাতালের ভিতরে হয়ত মারব,
তারপর ভর্তি করে দিয়ে যাবে।
হায় হায় এখন ও মারতেছে না ক্যান।
সামনে দেখলাম লিপা বাবা আমার
দিকে আসছে।
এসে যা বলল আমার মাথা ঘুরে পড়ে
যাবার অবস্থা।
- বাবা সাহরিয়া তুমি একমাত্র আমার
মেয়েটাকে বাঁচাতে পারে, অনেক কষ্টে
তোমাকে খুঁজে পেয়েছি।
- মানে আংকেল লিপা কই।
- ঐ রুমে।
- দৌড়ে রুমে গেলাম, দেখি
আমার পরীটা একদম শুকাই গেছে।
চোখটা কেমন ঝাপসা হয়ে আসছে,
পরীটার কাছে গিয়ে বসলাম।
ওর হাতটা শক্ত করে ধরে বললাম,
আমি আসছি তো রে পাগলি, আমাকে
ছেরে একাই যাবা তাই না, তোমাকে
ছাড়া কেমনে আমি বাঁচব বলো।
খুব ভালবাসিরে খুব ভালবাসি, একবার
ভালবাসি বলবা না বলো।
লিপার বাবা আসল,
আমি বললাম আংকেল লিপার কী
হয়েছে বলেন না।
- আসলে বাবা মেয়েটাকে আমি ছোট থেকে
বেশি হাঁসি খুঁশি রাখতে পারি নাই, সব
সময় টাকার পেছনে ছুঁটেছি।
আর সব সময় ও একা থাকত, কারো সাথে মিশত না, এমন করে অনেকবার অসুস্থ হয়ে পরে।
ফাস্ট ও তোমার লাফানো দেখে হেঁসেছিল।
তারপরে আমি তোমার কলেজে ওকে ভর্তি
করে দেই।
লিপা ও জানত না এ সব।
ডাক্তার বলছে ওকে সব সময় হাঁসি
খুশি রাখতে হবে।
আমি জানি একমাত্র তুমি ওকে হাঁসি
খুঁশি রাখতে পারবা।
আংকেল আপনি কিছু ভাইবেন না
পাগলিটা আমার জীবন, আমার
জীবনটারে ঠিক আমি আমার মতো
করে নিব।
আংকেল চলে গেল।
আমি আবার পাগলিটার মাথার কাছে
গেলাম, আবার প্রথম দিনের
মতো নাকটা ধরে টান দিতেই।
চোখটা খুলল।
কোন দেরি না করেই পাগলিটাকে
টেনে বুকে নিলাম।
খুব ভালবাসি পাগলি তোমাকে।
- ঐ ছাড় আব্বু আছে দেখতে পেলে মাইর দিবে।
- তোমার আব্বুই পারমিশন দিছে
হি হি হি।
ঐ সব সময় হাঁসবা আর আজ থেকে
আমার অনেক ঘুরব বুঝলা।
এখন একটা পাপ্পি দেই।
- হুমমমম দাও।
উমমমমমমমমমমমমম্মা হি হি।
এখন ও তো আমি ব্রাস করি নাই।
- কীইইই বললা ফাজিল একটা।
- আরে কীইইই করব তোমার
বাবার দানব গুলা আমারে ঠিক মতো
হিসি ও করতে দেই নাই।
- কী বললা হি হি হি হি।
আমি পাগলিটার হাঁসি দেখছি, আর
ভাবছি সারাটা জীবন এমন ভাবেই
হাঁসাবো তোমারে পাগলি আমার।।।
- যাও এবার হিসি করে এসো।।
হা হা হা হা।।।।।
>>সমাপ্ত<<
>>The End<<

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন